ঢাকা | বঙ্গাব্দ

ভ্যালেন্সিয়াকে ৫–০ গোলে উড়িয়ে দিয়েও উন্নতির তাগিদ ফ্লিকের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 7, 2026 ইং
ভ্যালেন্সিয়াকে ৫–০ গোলে উড়িয়ে দিয়েও উন্নতির তাগিদ ফ্লিকের ছবির ক্যাপশন: বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক।
ad728

লা লিগায় দুর্দান্ত ছন্দে শুরু করেছে বার্সেলোনা। রোববার রাতে মেস্তায়ায় ভ্যালেন্সিয়াকে ৫–০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে হান্সি ফ্লিকের দল। চার ম্যাচে চার জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষেও রয়েছে তারা।

তবে এমন দাপুটে জয়ও বার্সেলোনা কোচকে পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ম্যাচ শেষে ফ্লিক জানিয়েছেন, তাঁর দলের পারফরম্যান্স প্রায় নিখুঁত হলেও উন্নতির জায়গা এখনো রয়েছে।

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করেন লামিনে ইয়ামাল। একটি করে গোল করেন রাফিনিয়া, ফেরমিন লোপেজ ও পেদ্রি। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় বার্সা। শেষ পর্যন্ত পাঁচ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।

ম্যাচ শেষে ফ্লিক বলেন, তাঁর দল ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে পেরেছে এবং আক্রমণে প্রয়োজনীয় জায়গাগুলোও খুঁজে নিয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, ফুটবলে কোনো পারফরম্যান্সই পুরোপুরি নিখুঁত নয়।

বার্সেলোনার আক্রমণভাগের ধারও মৌসুমের শুরু থেকেই নজর কাড়ছে। চার ম্যাচের তিনটিতেই পাঁচটি করে গোল করেছে তারা। চার ম্যাচে মোট গোলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭। রাফিনিয়া স্ট্রাইকার হিসেবে খেলেই করেছেন ছয় গোল। ফেরমিন লোপেজ ও ইয়ামালের গোল চারটি করে।

দলের এমন গোলবন্যার মধ্যেও একজন স্বীকৃত ‘নাম্বার নাইন’ বা মূল স্ট্রাইকারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। রবার্ট লেভানডফস্কি ও ফেরান তোরেসের বিদায়ের পর নতুন স্ট্রাইকার খুঁজছিল বার্সেলোনা। আতলেতিকো মাদ্রিদের হুলিয়ান আলভারেজকে দলে আনার চেষ্টা সফল না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে দলে ভেড়ায় তারা। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে বদলি হিসেবে বার্সার হয়ে অভিষেকও হয়েছে তাঁর।

তবে দল যদি এভাবেই নিয়মিত গোল পেতে থাকে, তাহলে জেসুসকে কতটা প্রয়োজন হবে—এ প্রশ্ন উঠতেই পারে। ফ্লিক অবশ্য এখনো একজন প্রকৃত স্ট্রাইকারের প্রয়োজনীয়তা দেখছেন। তাঁর মতে, আক্রমণভাগে একাধিক মানসম্পন্ন খেলোয়াড় থাকলেও দলের একজন স্বীকৃত নাম্বার নাইন থাকা জরুরি।

ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে বার্সেলোনার হয়ে প্রথমবার মূল একাদশে খেলেছেন ম্যানচেস্টার সিটি থেকে আসা রদ্রি। প্রায় এক ঘণ্টা মাঠে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই মিডফিল্ডার। বার্সেলোনার খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ ৮১টি সফল পাস দেন।

রদ্রির পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেছেন ফ্লিক। তাঁর মতে, বল পায়ে রদ্রির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধরন এবং মাঠে অবস্থান দলের কাঠামো ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বল দখলে থাকার সময় যেমন তিনি দলকে সংগঠিত রাখেন, তেমনি বল হারানোর পরও প্রতিপক্ষকে ঠেকাতে সহায়তা করেন।

লা লিগায় বার্সেলোনার পরবর্তী ম্যাচ ১৩ সেপ্টেম্বর লেভান্তের বিপক্ষে। তার আগে ৯ সেপ্টেম্বর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেইনুর্ডের মুখোমুখি হবে ফ্লিকের দল।

চার ম্যাচে চার জয় এবং ১৭ গোলের দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক পরিসংখ্যান বার্সেলোনাকে মৌসুমের শুরুতেই শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তবে ফ্লিকের বার্তা পরিষ্কার—জয় যত বড়ই হোক, দলকে আরও উন্নতি করতে হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ, ইতিহাসে দ্বি

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ, ইতিহাসে দ্বি