ঢাকা | বঙ্গাব্দ

সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন কারাগারে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 9, 2026 ইং
সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন কারাগারে ছবির ক্যাপশন: সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডন। ছবি: সংগৃহীত
ad728

প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেফতার খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় তিনি এজাহারনামীয় চার নম্বর আসামি।

রোববার (৯ আগস্ট) আশরাফুল হক ডনকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ভোরে রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে আটক করে।

সালমান শাহ হত্যা মামলাটি গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় দায়ের করেন তার মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারে সালমান শাহের স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক আশরাফুল হক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে-ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের দাবি ওঠে।

গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা রিভিশন মঞ্জুর করে মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরদিন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইস্কাটনের বাসায় সালমান শাহকে নিথর অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, সালমান শাহের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখা গিয়েছিল। তার মৃত্যুকে প্রথম থেকেই সন্দেহজনক বলে দাবি করে আসছিল পরিবার।

সালমানের বাবা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরীও ছেলের মৃত্যুকে হত্যা বলে সন্দেহ করেছিলেন। ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই তিনি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন করে অপমৃত্যু মামলাটি দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ এবং সিআইডির মাধ্যমে তদন্তের আবেদন করেন।

পরবর্তীতে সালমানের বাবার মৃত্যুর পর তার বোনের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করে আসছেন মোহাম্মদ আলমগীর।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা পলাতক আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন। তবে মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মারা গিয়ে থাকলে প্রমাণ সাপেক্ষে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
চট্টগ্রামে বন্যা-পাহাড়ধসে ১৩ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৬

চট্টগ্রামে বন্যা-পাহাড়ধসে ১৩ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৬