মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায় জড়িয়েছে বলিউডে আলোচিত সিনেমা ‘কালা হিরণ’। ১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামা থেকে অনুপ্রাণিত বলে দাবি করা এই সিনেমার মুক্তি স্থগিতের আবেদন করেছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। তবে আদালত এখন পর্যন্ত ছবিটির মুক্তিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা দেয়নি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটির বিরুদ্ধে করা আবেদনের শুনানি শেষে দিল্লি হাইকোর্ট পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ৬ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছে।
এদিকে আদালতের সিদ্ধান্তের পর সিনেমাটির প্রযোজক অমিত জানি জানিয়েছেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৮ হাজার পর্দায় ‘কালা হিরণ’ মুক্তি দেওয়া হবে।
অমিত জানির দাবি, আদালতে সালমান খান কোনো ধরনের অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তি পাননি। তাই নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী সিনেমার মুক্তির প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
প্রযোজকের অভিযোগ, সিনেমার পোস্টার প্রকাশের পর থেকেই ‘ডি কোম্পানি’র নাম ব্যবহার করে পাকিস্তান থেকে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো প্রমাণ বা তথ্য প্রকাশ করেননি।
অন্যদিকে সালমান খান এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।
উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ চলচ্চিত্রের শুটিং চলাকালে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমান খানের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৮ সালে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন এবং দুই দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান। মামলার আপিলসহ সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান।
নির্মাতাদের দাবি, ‘কালা হিরণ’ বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় নির্মিত হলেও সিনেমায় কোথাও সরাসরি সালমান খানের নাম ব্যবহার করা হয়নি। তবে পোস্টার ও প্রচারণায় তাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিনেতা।
আইনি বিতর্কের কারণে সিনেমাটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহও বেড়েছে। এখন ৬ জুলাইয়ের শুনানির পর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর থাকবে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের।
কালের দাবি ডেস্ক