রোববার (৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সাইফুল হক বলেন, অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হক ছিলেন সত্যসন্ধানী লেখক, গবেষক ও দার্শনিক। নীতিশিক্ষা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সাম্যভিত্তিক মানবিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি আজীবন নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে হাজারো শিক্ষার্থীর মধ্যে সুচিন্তা, সুরুচি ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে অধ্যাপক আবুল কাশেম নিরলস ভূমিকা রেখেছেন। শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশেও তাঁর অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শোকবার্তায় সাইফুল হক আরও উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত জীবনের গভীর বেদনা ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকে নিজের পুত্রের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারও তিনি দাবি করেননি। এই অবস্থান তাঁর ব্যক্তিত্ব ও নৈতিক দৃঢ়তার একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, জীবনের শুরুর দিকে অধ্যাপক আবুল কাশেম সাম্যবাদী বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। দেশপ্রেম, মানবিকতা ও নৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী এই মনীষীর মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে, যার শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। বিবৃতিতে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের জীবন, কর্ম ও অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। একই সঙ্গে তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানানো হয়েছে।
কালের দাবি ডেস্ক