কঙ্গো ডিআরের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে মাঠে একরকম বোতলবন্দী হয়ে ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই ম্যাচটি ১-১ ড্র হওয়ায় পর্তুগাল অধিনায়ক এবং কোচ রবার্তো মার্টিনেজকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। ফুটবল মহলের একাংশ তো দাবিই তুলে বসেছিল, রোনালদোকে যেন একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হয়। তাদের মতে, ৩৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে একাদশে রাখাটাই পর্তুগালের বর্তমান দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা।
তবে বাইরে ওঠা এই সমালোচনার ঝড়কে বিন্দুমাত্র পাত্তা দেননি পর্তুগিজ মাস্টারমাইন্ড রবার্তো মার্টিনেজ। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সিআর সেভেনের ওপরই আস্থা রাখেন কোচ। আর কোচের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে ঠিক ৫ মিনিট সময় নিলেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার।
ম্যাচের শুরুর দিকেই (৬ষ্ঠ মিনিটে) ডি-বক্সের ভেতর দুর্দান্ত এক শটে উজবেকিস্তানের জাল কাঁপান রোনালদো। ১-০ ব্যবধানে দলকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি এই গোলটি দিয়ে ফুটবল ইতিহাসের এক অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে ফেললেন তিনি। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে প্রথম ও একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে টানা ৬টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য রেকর্ড এখন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে।
লিওনেল মেসি বা অন্য সমসাময়িক তারকারা হয়তো ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বহু রেকর্ডের ভাগীদার, তবে টানা ৬টি বিশ্বকাপে জালের দেখা পাওয়ার এই অতিমানবীয় ধারাবাহিকতা রোনালদোকে নিয়ে গেল একেবারেই অন্য এক উচ্চতায়। ম্যাচ শুরুর মাত্র কয়েক মিনিটের মাথায় গোল করে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সব সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন সিআর সেভেন।
কালের দাবি ডেস্ক