ঢাকা | বঙ্গাব্দ

হরমুজে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান-ওমানের আলোচনা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 26, 2026 ইং
হরমুজে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করতে ইরান-ওমানের আলোচনা ছবির ক্যাপশন: তেহরানে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়িদ বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। ছবি: রয়টার্স
ad728

হরমুজ প্রণালিতে একটি ‘যৌথ ও সাময়িক নৌ চলাচল পথ’ চালুর বিষয়ে আলোচনা করেছে ইরান ও ওমান। মঙ্গলবার দুই দেশ এ তথ্য জানিয়ে জানিয়েছে, প্রস্তাবিত নৌপথটি মাইনমুক্ত করার বিষয়েও তারা সম্মত হয়েছে।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছে প্রতিবেশী ইরান ও ওমান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার মধ্যেই নতুন করে এই উদ্যোগের কথা জানাল ইরান।

যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। তবে ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় কার্যত বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার ইরান ও ওমান জানায়, হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী ও যৌথ নৌপথের সম্ভাবনা নিয়ে তারা আলোচনা করেছে। এ পথটি মাইনমুক্ত করার বিষয়েও দুই দেশ সম্মত হয়েছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, হরমুজ প্রণালি থেকে সব মাইন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে এর আগেও তিনি একই ধরনের দাবি করেছিলেন।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি শত্রুতা কিছুটা কমলেও শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টা স্থবির রয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এখনো ঝুঁকিপূর্ণ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার ওমানের আশ শিশাহ এলাকা থেকে প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনা ঘটে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স জানিয়েছে, অজ্ঞাত একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ট্যাঙ্কারটি বিকল হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে ইরানকে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি কূটনৈতিক মিশনে কর্মী ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে ওয়াশিংটন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ইরানের হামলার আশঙ্কায় এসব মিশন থেকে আগে কর্মী সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বা কর্মীসংখ্যা কমানো হয়েছিল।

ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপকে ইরানের সঙ্গে সামনে সংঘাত তীব্র হওয়ার ঝুঁকি কমে আসার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি মার্কিন দূতাবাস আপাতত পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম পরিচালনা করবে না।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
আনচেলত্তির তিন সিদ্ধান্তেই কি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ব্রাজিলের?

আনচেলত্তির তিন সিদ্ধান্তেই কি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ব্রাজিলের?