ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফনকে ঘিরে রাজধানী তেহরানে জড়ো হতে শুরু করেছেন হাজারো মানুষ। ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থান থেকে সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীতে আসছেন।
রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষকে জাতীয় পতাকা হাতে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। অনেকের হাতে ছিল খামেনির প্রতিকৃতি, আবার কেউ কেউ আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁদছিলেন।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা ও দাফনের বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে খামেনির মরদেহ বহনকারী কফিনের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। তার অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, একটি সজ্জিত কক্ষে কফিনটি রাখা হয়েছে। কক্ষটির দেয়ালে ইরানের জাতীয় পতাকা টাঙানো রয়েছে।
প্রকাশিত ছবিতে কফিনের ওপর লাল রঙের একটি বিশেষ পতাকা বিছানো দেখা যায়, যার ওপর সাদা অক্ষরে লেখা রয়েছে ধর্মীয় বার্তা। ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ইমাম হোসেনের মাজারের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি প্রতীকী পতাকা, যা শিয়া ঐতিহ্যে প্রতিরোধ, আত্মত্যাগ এবং সত্যের প্রতি অবিচল থাকার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
খামেনির মৃত্যুর পর আয়োজিত এই রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানকে দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন হিসেবে উল্লেখ করছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
তবে খামেনির মৃত্যুর কারণ, তারিখ এবং এ-সংক্রান্ত দাবিগুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য ও অবস্থান রয়েছে। তাই এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যের জন্য নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
কালের দাবি ডেস্ক