ঢাকা | বঙ্গাব্দ

পার্বত্য অঞ্চলে বনাঞ্চল পুনরায় ফিরিয়ে আনতে তিন জেলার বাহিরে কাঠ প্রেরন বন্ধ করা প্রয়োজন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 2, 2026 ইং
পার্বত্য অঞ্চলে বনাঞ্চল পুনরায় ফিরিয়ে আনতে তিন জেলার বাহিরে কাঠ প্রেরন বন্ধ করা প্রয়োজন ছবির ক্যাপশন:
ad728
জুঁই চাকমা :: প্রকৃতি ও পরিবেশে ভরপুর ছিলো পার্বত্য চট্টগ্রাম। পাহাড়ের গায়ে ছিলো সবুজ আর সবুজ। শত বছর পরে পাহাড় এখন মরুভুমি। যেন মৃত্যু ফাঁদ। আগে যেখানে পাহাড়ে বসবাস করতো বাঘ ভালুক সিংহ হরিণসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্য প্রাণী। এক সময় যেখানে সন্ধ্যা নেমে আসলে শোনা যেতো শিয়ালের ডাক এখন সেখানে হাজার হাজার লোকের বসবাস। পাহাড়ে শত বছরের ইতিহাসে বিপর্যয় নেমে আসে, গত ২০১৭ সালে সেনাবাহিনী সদস্যসহ শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে কেবলমাত্র পাহাড় ধ্বসের কারণে। আমরা যদি একটু পিছনে ফিরে যাই, পার্বত্য অঞ্চলের বন বিভাগের ইতিহাস আমাদের সামনে চলে আসে। তাই পার্বত্য অঞ্চলের প্রকৃতি ও পরিবেশ নিয়ে পর্যালোচনা করার আগে এই অঞ্চলে বন বিভাগের ইতিহাস জানা অত্যাবশ্যক। বন বিভাগ প্রতিষ্ঠা ও বন ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু হয় ১৮৬২ সালে। স্যার ডায়েট্রিচ ব্রান্ডিস নামক একজন জার্মান ফরেষ্টারকে ১৮৬২ সালে প্রথম ইন্সপেক্টর জেনারেল অব ফরেষ্ট নিয়োগ করা হয়। ১৮৬২ সাল থেকে ১৮৬৪ সাল পর্যন্ত বন বিভাগ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের অধিনে ছিল। ১৮৬৫ সালে বন আইন প্রণীত হয়। এর ফলে সর্ব প্রথম পার্বত্য অঞ্চলে সরকারী বিভাগ অনুপ্রবেশ ঘটে বনবিভাগের মাধ্যমে। ১৮৬৫ সাল থেকে ১৮৭১ সাল পর্যন্ত বন বিভাগ চাকমা, মং ও বোমাং সার্কেল চীফদের কাছে ন্যাস্ত ছিল। সার্কেল চীফরা বনজ সম্পদ আহরণ, বহনের অনুমতি ও টোল আদায় করতেন। ১৮৭১ সালে ইংরেজরা বার্মা থেকে সেগুন গাছের বীজ এনে সর্ব প্রথম বন বিভাগ স্বতন্ত্র বিভাগ হিসাবে ১৮৭২ সাল থেকে বন বিভাগ পার্বত্য অঞ্চলে বনায়ন শুরু করে। বৈজ্ঞানিকভাবে বন ব্যবস্থাপনার জন্য সর্ব প্রথম সুন্দর বনে ওয়ার্কিং প্লান তৈরী হয় ১৮৯২ সালে। বন নীতি প্রণীত হয় ১৮৯৪ সালে। পার্বত্য অঞ্চলে জুমিয়াদের অংশ গ্রহনে টঙ্গিয়া পদ্ধতিতে বনায়ন শুরু হয় ১৯১২ সালে। যা বর্তমান বাংলাদেশে স্থানীয় জনগোষ্ঠির সম্পৃক্তকরনে বন ব্যবস্থাপনার প্রথম কার্যকরী উদ্যোগ । সর্বপ্রথম ফরেষ্ট ইনভেন্টরী করা হয় ১৯৬১ সালে। ১৯৬১ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ দিলে মানবসৃষ্ট কাপ্তাই হ্রদের সৃষ্টি হয়। পার্বত্য অঞ্চলে বিলাইছড়ির রাইক্ষং হ্রদ ও বান্দরবনের বগালেক প্রকৃতির দ্বারা সৃষ্ট আরো দুটি হ্রদ এই অঞ্চলে বিদ্যমান রয়েছে। কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির ফলে পার্বত্য অঞ্চলে বিশেষ করে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় বসবাসকারীদের জীবণমান উন্নয়ন, আর্থিক স

নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য
কালের দাবি ডেস্ক

কালের দাবি ডেস্ক

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে

ভারতের সঙ্গে কথা হবে চোখে চোখ রেখে