সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ সম্মেলন। এতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফসহ বিভিন্ন দেশের নেতারা অংশ নেবেন।
ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এবং রাশিয়া-চীন-ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা বিশ্বের ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে এবারের এসসিও সম্মেলন বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সম্মেলনের ফাঁকে পুতিনের সঙ্গে শি জিনপিং ও পেজেশকিয়ানের পৃথক বৈঠকের কথা জানিয়েছে ক্রেমলিন।
ঐতিহাসিকভাবে এসসিও অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক সহযোগি
তাকে গুরুত্ব দিলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সংগঠনটি আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পুতিন ও শি জিনপিং এই প্ল্যাটফর্মকে পশ্চিমা আধিপত্যের বিকল্প বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্র হিসেবেও ব্যবহার করেছেন।
ইরান ২০২৩ সালে এসসিওর পূর্ণ সদস্য হয়। তেহরান মনে করে, এ ধরনের আন্তর্জাতিক জোটে সক্রিয় অংশগ্রহণ পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার চাপ মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে। তবে সংগঠনটির সদস্যদের মধ্যেও বিভিন্ন সীমান্ত, রাজনৈতিক ও কৌশলগত বিরোধ রয়েছে। রাশিয়া ও চীনের মধ্য এশিয়ায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রতিযোগিতা এবং চীন-ভারত ও ভারত-পাকিস্তানের বিরোধ এসসিওর অভ্যন্তরীণ ঐক্যের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

কালের দাবি ডেস্ক