ঢাকা | বঙ্গাব্দ

প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল কারসাজিতে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jul 8, 2026 ইং
প্রশ্ন ফাঁস ও ডিজিটাল কারসাজিতে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল ছবির ক্যাপশন: ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’
ad728

পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, ডিজিটাল কারসাজি, পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ এবং নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার রোধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। নতুন আইনে এসব অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন। বিরোধী দলের সদস্যদের জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর বিলটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

সংশোধিত আইনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং ডিজিটাল কারসাজিকে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার ডেটাবেইসে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা গোপন করাকে ডিজিটাল কারসাজি হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি অর্থদণ্ডের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন বা ব্যবহার, পরীক্ষা পরিচালনায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করা কিংবা পরীক্ষার্থীকে অসদুপায়ে সহায়তার উদ্দেশ্যে চুক্তি বা চুক্তির চেষ্টা করলেও একই ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

নতুন আইনে উত্তরপত্র মূল্যায়নে অনিয়মের বিষয়েও কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। কোনো পরীক্ষক ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তরপত্রের অতিমূল্যায়ন বা অবমূল্যায়ন করলে এবং তৃতীয় পরীক্ষকের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

তবে কোনো শিশু এই আইনের আওতায় অপরাধ করলে তার বিচার শিশু আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

এদিকে একই দিনে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। বিলটি পরীক্ষা করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০০১ সালে প্রণীত বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন কার্যকর না হওয়ায় নতুন বাস্তবতায় সেটি বাতিল করে বিজ্ঞান, কলা, আইন, ব্যবসায় প্রশাসন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন এই তারকারাও

প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন এই তারকারাও