প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 3, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 2, 2026 ইং
ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা, মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে ঘিরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও বড় পরিসরে সামরিক শক্তি মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পরই এ অঞ্চলে তৃতীয় একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর সিদ্ধান্তের কথা সামনে এসেছে।
নভেম্বরের শেষ দিকে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ও এর স্ট্রাইক গ্রুপ মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর সঙ্গে প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার মার্কিন সেনা পাঠানো হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে—ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন। নতুন রণতরী ও সেনা যুক্ত হলে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও ব্যাপক আকার ধারণ করবে। নৌসেনা ও নাবিক মিলিয়ে ২০ হাজারের বেশি সদস্য এবং শত শত যুদ্ধবিমান সেখানে অবস্থান করতে পারে।
এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া শান্তি প্রস্তাব সম্প্রতি প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রাম্প। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সময় কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান চাপের মুখে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য চুক্তি করতে চাইছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছেন।
এর মধ্যে ইসরায়েলগামী একটি ফ্লাইদুবাই বিমানে কো-পাইলটের হাতে প্রধান পাইলট ছুরিকাহত এবং বিমান বিধ্বস্তের চেষ্টার ঘটনায় ইরানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তবে এ ঘটনায় ইরানের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
ট্রাম্প বলেছেন, তদন্তে ইরানের দায় প্রমাণিত হলে দেশটির বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। ফলে ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।