
কিলিয়ান এমবাপ্পে যেন শুরুতেই বুঝিয়ে দিচ্ছেন, নতুন মৌসুমে তাঁর গোলের ধার থামার নয়। আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর এবারও গোল করেছেন ফরাসি তারকা। তাঁর গোল এবং সতীর্থদের দাপুটে পারফরম্যান্সে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে মালাগাকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
দ্বিতীয় দফায় রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়ার পর কোচ জোসে মরিনিওর অধীনে এটি টানা তৃতীয় জয়। এর আগে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ৪-১ এবং এস্পানিওলের বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছিল দলটি।
মালাগার বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে রিয়াল। ১৯ মিনিটে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে জুড বেলিংহামের দুর্দান্ত শটে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডান দিক দিয়ে ঢুকে বাঁ কোণে বল পাঠান বেলিংহাম। মালাগার আপত্তি থাকলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বহাল থাকে।
এর সাত মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। ব্রাহিম দিয়াজের দৌড়ের পর এমবাপ্পের শট গোলরক্ষক ঠেকালেও বল শেষ পর্যন্ত জালে ঢুকে যায়। পরে সেটি মালাগার আলফোনসো হেরেরোর আত্মঘাতী গোল হিসেবে নথিভুক্ত হয়।
৩০ মিনিটে রিয়ালের তৃতীয় গোলটি আসে এমবাপ্পের পা থেকে। ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নল্ডের নিখুঁত ক্রস থেকে শট নিয়ে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড। এর মধ্য দিয়ে লা লিগায় নিজের মুখোমুখি হওয়া দলগুলোর মধ্যে এলচে ছাড়া বাকি ২২ দলের বিপক্ষেই গোল করার কীর্তি গড়েন তিনি।
প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় রিয়াল। মালাগা একটি ভালো সুযোগ পেলেও রদ্রিগেজের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
দ্বিতীয়ার্ধে রিয়াল আরও স্বচ্ছন্দ হয়ে খেলে। বেলিংহামের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। বল হারানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রতিপক্ষের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করাও ছিল রিয়ালের খেলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ম্যাচের শেষ দিকে মালাগা পেনাল্টির দাবি করলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হয়। এরপর যোগ করা সময়ে রিয়ালের চতুর্থ গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা আরদা গুলার। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাটব্যাক থেকে সহজেই বল জালে পাঠান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ। টানা তিন ম্যাচ জিতে মৌসুমের শুরুতেই নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছে দলটি। আর সেই দাপুটে শুরুর অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন এমবাপ্পে।