ঢাকা | বঙ্গাব্দ

২০২৮ সালের মধ্যে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের লক্ষ্য নির্ধারণ ট্রাম্পের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Jun 24, 2026 ইং
২০২৮ সালের মধ্যে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের লক্ষ্য নির্ধারণ ট্রাম্পের ছবির ক্যাপশন: ২০২৮ সালের মধ্যে শক্তিশালী কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করে দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর
ad728

কোয়ান্টাম প্রযুক্তির বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে রাখতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৮ সালের মধ্যে শক্তিশালী কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করে দুটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি।

নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সাইবার সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি থেকে উদ্ভূত সম্ভাব্য সাইবার হুমকি মোকাবিলার প্রস্তুতিও জোরদার করা হবে।

হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নীতি কার্যালয়ের পরিচালক মাইকেল ক্রাতসিওস জানিয়েছেন, প্রশাসন বিশ্বাস করে ২০২৮ সালের মধ্যেই উন্নত কোয়ান্টাম কম্পিউটিং সক্ষমতা অর্জন করা সম্ভব হতে পারে।

নির্বাহী আদেশগুলোর একটি মূলত সরকারি কম্পিউটার অবকাঠামোকে ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম-ভিত্তিক সাইবার আক্রমণ থেকে সুরক্ষিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে ২০৩০ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাকে ‘পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি’তে রূপান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোয়ান্টাম কম্পিউটার বর্তমান সুপারকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুতগতিতে জটিল গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান এবং নতুন উপকরণ উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। তবে একই সঙ্গে বর্তমান এনক্রিপশন ব্যবস্থাকে অকার্যকর করে দেওয়ার ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে, যা সাইবার নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

নতুন আদেশে প্রতিরক্ষা খাতেও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে পেন্টাগনকে কোয়ান্টাম সেন্সর মোতায়েনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যা জিপিএস সিগন্যাল বিঘ্নিত হলেও যুদ্ধবিমান ও সামরিক প্ল্যাটফর্মকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে সক্ষম হবে।

এ ছাড়া মহাকাশভিত্তিক কোয়ান্টাম সেন্সরের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো, সুড়ঙ্গ কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মতো কার্যক্রম শনাক্ত করার সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতাকে আরও তীব্র করবে। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, সেন্সিং এবং নিরাপত্তা প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব ধরে রাখতে ওয়াশিংটন এখন দীর্ঘমেয়াদি কৌশল বাস্তবায়নে মনোযোগ দিচ্ছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : কালের দাবি ডেস্ক

কমেন্ট বক্স
মালয়েশিয়ায় পৌঁছেই লাল গালিচা সংবর্ধনা পেলেন প্রধানমন্ত্রী

মালয়েশিয়ায় পৌঁছেই লাল গালিচা সংবর্ধনা পেলেন প্রধানমন্ত্রী